Jerome Brown Jersey  রেনিটিডিনের বিকল্প বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায় – Welcome to Worldupdate24.com

রেনিটিডিনের বিকল্প বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়

রেনিটিডিনের বিকল্প বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়

বাজারে রেনিটিডিন না থাকলেও দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এর বিকল্প হিসেবে বহু কার্যকর ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রেনিটিডিন সরবরাহ বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করার পর এ কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছেন, দেশের ত্রিশটি ওষুধ প্রস্তুতকারক ভারতীয় দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে রেনিটিডিনের কাঁচামাল আমদানী করে। তা আর করতে পারবেনা।

ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আর এক্ষেত্রে রেনিটিডিন অনেকেরই পছন্দের ট্যাবলেট।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ওষুধ প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠান রেনিটিডিন তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করে ভারতীয় সারাকা ল্যাবরেটরিজ ও ডা. রেড্ডি নামে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে। রোববার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এই দুটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে কাঁচামাল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। একইসাথে এই প্রতিষ্ঠান দুটির কাঁচামাল থেকে তৈরী সব রেনিটিডিন ট্যাবলেট সরবরাহ বিক্রিও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, যেহেতু এটা একটা পাবলিক হেলথের একটা প্রশ্ন উঠেছে, ইউএস এফডিএ থেকে বলেছে, জেএসকে যেহেতু রিকলড করেছে, কাজেই আমরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেয় যে, সারাকা ও রেড্ডির কাঁচামাল থেকে যে রেনিডিন উৎপাদিত হয়েছে, সেগুলোর উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রতিষ্ঠান এফডিএ রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধের নমুনায় ক্যানসার সৃষ্টিকারী যে উপাদান পেয়েছে তা স্বল্পমাত্রায় মাংস ও দুগ্ধজাতীয় খাবারেও থাকে। কিন্তু রেনিটিডিনের নমুনায় এই উপাদান সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশী পরিমাণে পাওয়া গেছে। তাই শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের বাজার থেকেও রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক লুৎফুল কবির বলেছেন, রেনিটিডিন বিক্রি বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাজারে এর প্রচুর বিকল্প আছে। রেনিটিডিন যে উদ্দেশ্যে গ্রহণ করছেন এ জাতীয় ওষুধ আপনার হাতে আছে।

এক্ষেত্রে রেনিটিডিন যেন বাজারে না পাওয়া যায় এ ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কড়া নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন অধ্যাপক লুৎফুল কবির।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সারাদেশে এরইমধ্যে অভিযান শুরু করেছে বলে জানালেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *